ইল মাছের আলো
সাল ২১৫০। এক ভয়াবহ বিপর্যয়ে পৃথিবীর সব পাওয়ার প্ল্যান্ট ধ্বংস হয়ে গেছে। পারমাণবিক বিস্ফোরণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, এবং মানবজাতির নিজ হাতে তৈরি করা যুদ্ধ একের পর এক শহর ও প্রযুক্তি গ্রাস করেছে। অন্ধকারে নিমজ্জিত এই পৃথিবীতে শুধুমাত্র একটি ইল মাছ সমুদ্রের গভীরে টিকে ছিলো। এর বিদ্যুৎ উৎপাদন করার ক্ষমতা ছিলো এক চমকপ্রদ বিস্ময়। এই বিধ্বস্ত পৃথিবীতে কেবল দুজন মানুষ বেঁচে ছিলো: আরিয়ান এবং রোহান। তারা উভয়েই বিজ্ঞানী এবং অগণিত চেষ্টার মাধ্যমে নিজেদের বেঁচে থাকতে সক্ষম হয়েছিলো। তবে তাদের সামনে ছিলো এক অমোঘ সত্য— কোনো মেয়ে আর বেঁচে নেই। মানবজাতির অস্তিত্ব বিলুপ্তির পথে। সমুদ্রের তলদেশে আশা আরিয়ান ও রোহান জানতে পেরেছিলো যে একটি বিশেষ প্রজাতির ইল মাছ, ইলেক্ট্রোরা, সমুদ্রের তলদেশে টিকে আছে, যা পৃথিবীর শেষ বিদ্যুতের উৎস হতে পারে। ইলেক্ট্রোরা প্রতি মিনিটে ৮০০ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। এই বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তারা একটি বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা করতে চেয়েছিলো—মানবজাতিকে পুনরায় টিকিয়ে রাখা। তারা সমুদ্রতল থেকে ইলেক্ট্রোরাকে উদ্ধার করার জন্য একটি ড্রোন পাঠায়। ড্রোনের সাহায্যে মাছটি উদ্ধার করার পর, তারা এক জৈব...